
বিএনপি, #জামায়াত প্রচারমাধ্যমকে নিজেদের করে নিয়েছে গত ১৫ বছর আগেই । সেই সাথে খুনি জিয়ার সেই সময়ের প্রজন্মের হাতে এখন ব্যাবসা, বানিজ্য, মালিকনা, এক কথায় অর্থনীতির চাকা । যেই প্রজন্মকে গড়ে তোলা হয়েছিলো, ভারত বিদ্বেষী করে, প্রচার করেছিলো কাগজে, কলমে, মেধায়, মননে ভারত বাংলাদেশকে ক্রয় করে নেবে । সেই সাথে দেশদ্রোহীদের, মানবতা বিরোধীদের, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের করেছিলো রাষ্ট্রিয় ভাবে প্রমোট ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া মানুষগুলো যারা শহীদ হলো, তারাতো চলেই গেলো । যারা ছিলো তারাতো উঠেই দাঁড়াতে পারেনি। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে দেখে, কারো ঘর নেই, কারো পরিবার নেই, কারো ছোট মুদি দোকানটা নেই, কারো ছেলে নেই, কারো মেয়ে নেই । চারদিকে শুধু নেই আর নেই । যে ফিরে এলো, সেও আহত। শরীরে বুলেটের আঘাত, মাথায় ক্ষত, পা নেই, হাত নেই - সেই সাথে নেই তাদের নিকট কোন অর্থ । যা দিয়ে সে আবার ভালোভাবে বাঁচার চেষ্টা করতে পারে ।
অথচ যারা পালিয়েছিলো, দেশের সাথে বেঈমানী করেছে, তারা হয়েছে পাকিস্তানের নিকট পুরস্কৃত , সেই সাথে আহত ও নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়িঘর, সামান্য জমি অর্থাৎ যা ছিলো সব নিয়ে নিয়েছে দখলে । সেই সময়ে দেশের মধ্যে সকল ব্যাবসা, বানিজ্য, এক কথায় অর্থনীতির চাকা তাদের হাতে রয়ে গেলো । আজ তারাই বংশানুক্রমে আরো শক্তিশালী ।
#বংগবন্ধু ফিরে এসে, এই জুলুম থেকে মুক্তি পেতে যখন তৎপর হলো, বাকশাল বংগবন্ধু এমনি এমনি তৈরি করেনি । তিনি চেয়েছিলেন সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে । কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তথাকথিত গণতন্ত্রের ভূত চাপিয়ে দিয়ে বংগবন্ধুর বিপক্ষে অবস্থান নিলো । তখনই বঙ্গবন্ধু হত্যার অনেক কারনের মধ্যে এই দুইটি অন্যতম কারন হয়ে দাঁড়ালো ।
#মার্কিন ও #পাকিস্তান চায়নি বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা স্বাবলম্বী হোক। অর্থনীতির চাকা থাকুক দেশদ্রোহিদের নিকট এটাই চেয়েছিলো ।
খুনি জিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করে, বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া আইনকে পালটে দিয়ে #মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান পাশার অন্যতম চাল দিলো । রাষ্ট্রিয় ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হলো সাম্প্রদায়িক বীজ । বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অর্থনীতিও খুনি জিয়া ধরে রাখতে পারেনি । নির্ভরশীল হলো সারা পৃথিবী থেকে আসা অনুদানের প্রতি । সেই অনুদানের টাকা আত্মসাত করে দেশকে ভিখারি করে রাখা ছিলো একটি পরিকল্পনার অংশ , জিয়া কখনও চায়নি বাংলাদেশ নিম্ন আয় হতে বেরিয়ে মধ্যমের পথে যাত্রা করুক ।
একি সূত্র ধরে #খালেদা_জিয়াও কখনো চায়নি, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের পথে যাক । ভিক্ষা করে খাওয়াই ছিলো তার উদ্দেশ্য । ততোদিনে তারেক রহমান ভ্রূণ থেকে বেরিয়ে গাছ হয়েছে । #কোকো'র কথা বাদই দিলাম , চলে গেছে বেচারা দুনিয়া থেকে তাই । মায়ের চেয়ে ১০ ডিগ্রি উপর দিয়ে চলেছে এই অশিক্ষিত ছেলে । মায়ের শিক্ষাকতাও মাত্র ৮ম শ্রেনি । যোগ্যাতাহীন মানুষের দুর্নিতি ছাড়া আর কিছুই করার ক্ষমতা থাকে না । এর জিনিস, ওর জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে তার পেট চলে ।
সেই সূত্র ধরে বিএনপি আমল উপহার দিয়েছে ৫ বার দুর্নিতিতে চ্যাম্পিয়ান ।
খুনি #জিয়া একটি কাজ করে গেছে, #রাষ্ট্রিয় ভাবে সাম্প্রদায়িক একটি প্রজন্ম তৈরি করেগেছে । যারা আজও রাজত্ব করছে । তাদের ধ্বংস করতে পারার মূল কারন - সময়ের ব্যাবধানে তারা প্রকৃত আওয়ামীলীগকে টাকার বিনিময়ে প্রশাসনের সহায়তায় হটিয়ে প্রবেশ করেছে মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের দলের মধ্যে । তাদের ধ্বংস করা এত সহজ নয় । তারা মুখে এখন আওয়ামীলীগ আওয়ামীলিগ করলেও তাদের বয়স হিসাব করে দখবেন - তারা সবাই জিয়ার সেই সময়ের প্রজন্ম । যাদের মধ্যে ৪৭ নেই, ৫২ নেই, ৭১ নেই, ৭৫ নেই । যা সে বলছে, যা সে করছে টোটাল অভিনয় । তাদের সন্তানদের প্রজন্ম এসে পড়েছে আওয়ামীলীগের সময় ।
আওয়ামীলীগ ঠিক এখানেই পরাজিত । তারা পারেনি প্রজন্ম তৈরিতে জিয়ার মতো ভুমিকা রাখতে । সেটা না পারার মূল কারন সরকারের মধ্যেই প্রতিটি অধ্যায়ে বসে রয়েছে জিয়ার সেই প্রজন্ম । যারা শেখ হাসিনাকে অন্ধকারে রেখে প্রজন্ম তৈরিতে হয়ে রয়েছে দেয়াল । অথচ মুখে বলছে আওয়ামীলীগ , আওয়ামীলীগ । অন্যদিকে প্রকৃত আওয়ামীলীগ না খেতে পেয়ে, প্রসাসনের তাড়া খেয়ে জীবন বাঁচাতে পিছনের দরজায় ডুকরে ডুকরে কাঁদছে ।
একমাত্র #শেখ_হাসিনা, তার নিজস্ব মেধায়, ইচ্ছা শক্তিতে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে উচ্চ আসনে । অথচ তার চারপাশে চোর ।
বলতে পারেন, কেন দুর্নীতি মুক্ত করতে পারছে না সরকার । আগেই বলেছি এত সহজ নয় । তাছাড়া রক্তে আমরা দুর্নীতি বাজ । কেউ সুযোগের অভাবে সৎ এই আর কি । বিশ্বাস না হলে - নিজেকে দিয়েই বিচার করুন । আমি ওপেনলি বলছি , আমি সৎ নই, সুযোগ পেলে আমিও খাবো ।
এখন ভেবে দেখুন - কাকে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চান ? সিদ্ধান্ত আপনাদের ।
মোঃ তৈমুর মল্লিক
Daily J.B 24 / মোঃ তৈমুর মল্লিক
আপনার মতামত লিখুন: